শ্যামল বৈদ্যকে পারলে না চিনে নিতে। প্রশান্ত হালদার



আজও আমরা শ্যামলকে জানলাম না

প্রচার করলাম না তার নাম;

না-দেখেই, না-বুঝেই কত না সংকীর্তন গাওয়া হলো বাংলার পথেঘাটে

ঢোল-কত্তাল নিয়ে, জোড় হাতে, দুহাত গৌরাঙ্গ করে—

তাও শ্যামলকে জানতে চাইলাম না


আধ্যাত্মিক এই ভারত তীর্থে শ্যামল বৈদ্যকে চিনে নেওয়া এতটা কঠিন!

আজও তার নামগান করলাম না, অথচ

'শ্যামল বৈদ্য ছাড়া মানুষের দ্বিতীয় পথ নেই'

গন্তব্যও নেই


দেখেছি, বাঁশের চ্যাড়া হাতে উদ্যত রাইফেল লক্ষ্য করে শ্যামল, নিজেই নিজের মৃত্যুকে ডেকে নেয়, হেসে ওঠে ট্রিগার চালক, সেই হাসি, হাসিরা ও হাসিগুলি আত্মবিদ্রুপ হয়ে দুনিয়া ভ্রমণ করে, থামতে জানে না; শ্যামল বৈদ্য—তার ক্লান্তি নেই পরাজয়ে, আর বিজয়ী রাইফেল হাসতে হাসতে, হাসতে হাসতে লুটিয়ে পড়বে একদিন, এমনই শ্যামল দিন আসবেই, শ্যামল বৈদ্য তার হাসি মুখে, লুঙ্গি ও স্যান্ডো গেঞ্জি গায়ে পরাজয়ের নতুন অপেক্ষায় থাকবে প্রস্তুত, তাও তুমি শ্যামল বৈদ্যকে পারলে না চিনে নিতে!